ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃতি পেয়েছে ‘রাজশাহীর ফজলি আম’।

গত ৬ অক্টোবর প্রকাশিত শিল্প মন্ত্রণালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব পেটেন্ট, ডিজাইন অ্যান্ড ট্রেড মার্ক তাদের ‘দ্য জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিকেশনের’ (জিআই) ১০ নম্বর জার্নালে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আলীম উদ্দীন সমকালকে এই তথ্য জানিয়েছেন। 

তিনি জানান, রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই স্বীকৃতি মিলেছে। ২০১৭ সালের ৯ মার্চ রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্র থেকে এই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করেছিল কেন্দ্র। 

আলীম উদ্দীন সমকালকে বলেন, ‘ফজলি আমের সঙ্গে আন্তর্জাতিকভাবে রাজশাহীর নামটি জড়িয়ে গেল। তবে এই স্বীকৃতি আসতে কম কষ্ট করতে হয়নি আমাদের! ফজলি আমের ইতিহাস,পণ্যটির সঙ্গে স্থানিক ও কালিক যোগাযোগের আদ্যোপান্ত, ডিএনএ সিকোয়েন্স আমাদের পাঠাতে হয়েছে যথাযথ কর্তৃপক্ষ বরাবর। চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকাতেও কিন্তু ফজলি আম হয়। রাজশাহীর ৯টি উপজেলাতেই ফজলি আমের চাষ হয়। এর মধ্যে বাঘা উপজেলার ফজলি আম খুবই পরিচিত।’ 

বাংলাদেশের মোট নয়টি পণ্য এপর্যন্ত জিআই সনদ পেয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ইলিশ মাছ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম, দিনাজপুরের কাটারিভোগ ও বাংলাদেশি কালিজিরা, জামদানি, ঢাকাই মসলিন, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি এবং নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদা মাটি।