বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনা ন্যক্কারজনক। সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যথাসময়ে ব্যবস্থা নিলে দেশে এমন সহিংস ঘটনা ঘটত না। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় কুমিল্লার পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় যদি সরকার ব্যর্থতা স্বীকার না করে তাহলে বুঝতে হবে, সরকার ইন্ধনদাতাদের একজন। 

কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে কোরআন অবমাননার ঘটনার জেরে পরে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত নগরীর কাপড়িয়াপট্টিতে চাঁন্দময়ী রক্ষা কালীমন্দির পরিদর্শনে এসে  শনিবার তিনি এসব কথা বলেন।

গ্রেপ্তার ইকবালের প্রসঙ্গ টেনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, 'আটক ইকবাল ভবঘুরে-উন্মাদ। কারা তাকে ইন্ধন দিল সেটা খুঁজে বের করতে হবে।' 

তিনি বলেন, 'নানুয়ারদীঘিরপাড়ের ঘটনার পর সারাদেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। কুমিল্লায় কিছু অপরিচিত যুবক বাড়িঘর, মন্দিরে হামলা-লুটপাট করে। অথচ পুলিশ মামলা দিচ্ছে বিএনপি-জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে। জামায়াতকে দিনেও দেখা যায় না, রাতেও দেখা যায় না- তারা কীভাবে হামলা-ভাঙচুর করতে পারে? হিন্দু-মুসলমানকে মুখোমুখি দাঁড় করাতে এটা সরকারের ষড়যন্ত্র।'

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অজয় রায় চৌধুরী, গৌতম রায়, দেবাশীষ চৌধুরী, অমলেন্দু দাস, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিন-উর-রশিদ ইয়াছিন, সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) মোস্তাক মিয়া প্রমুখ।