কালীগঞ্জে বিয়ের নাটক সাজিয়ে শারীরিক সম্পর্কের ঘটনায় থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করেছিলেন নির্যাতিতা। অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মো. নয়ন মিয়া নাটকের মঞ্চ তৈরি করা মো. আবু তাহের ওরফে ফারুখ হোসেন কাজির বিরুদ্ধে করা অভিযোগ আমলে না নিয়ে আদালতে মামলা করতে বলেন থানার ওসি মো. আনিসুর রহমান।

অভিযুক্ত নয়ন পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের মাথিচর গ্রামের আমান উল্লাহর ছেলে। বর্তমানে তিনি কালীগঞ্জ পৌরসভার মুনসুরপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে কালীগঞ্জ বাজারে সবজি ও ফলের ব্যবসা পরিচালনা করেন। অন্যদিকে, নিকাহ রেজিস্ট্রার আবু তাহের উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণসোম গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে।

নির্যাতিত ওই নারীকে ওসি টানা ১৯ দিন নানা টালবাহানায় সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। থানায় সেবা না পেয়ে গাজীপুর পুলিশ সুপার (এসপি) এসএম শফিউল্লাহর (বিপিএম) স্মরণাপন্ন হন নির্যাতিতা ওই নারী। পরে এসপির হস্তক্ষেপে সোমবার সকালে কালীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়। বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কালীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) কায়সার আহমদ।

পরিদর্শক কায়সার আহমদ বলেন, ‘ওই অভিযোগের তদন্তভার দেওয়ার পর তদন্ত করে এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। পরে সেই অভিযোগ আমলে নিয়ে থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে।’

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমান বলেন, অভিযোগ দেওয়ার সময় আমি ছুটিতে ছিলাম। এজন্য মামলা দায়ের কালক্ষেপণ হয়েছে। এখন ঊর্ধ্বতনদের অনুমতি পেয়ে মামলা নিয়েছি।