নওগাঁর পোরশা উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের ৫ মণ্ডপে হামলা চালিয়ে ৭-৮টি প্রতিমা ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার রাতে দুর্বৃত্তরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ জানান ভবানীপুরের হিন্দু সম্প্রদায় 

মঙ্গলবার সকালে নওগাঁর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) গাজিউর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হামিদ রেজা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

পোরশা উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি সুদেব সাহা সমকালকে জানান, উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে ৩টি ও শরিওয়ালা গ্রামে ২টি মণ্ডপে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে কালী, শিব,লক্ষ্মীসহ৭-৮টি প্রতিমা ভাংচুর করে। মঙ্গলবার সকালে গ্রামবাসী কাজে করার জন্য মাঠে আসলে মণ্ডপের ৭-৮টি প্রতিমা ভাঙ্গা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় তারা থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। 

পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হামিদ রেজা বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মন্দির কমিটি ও স্থানীয় লোকজন এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে করেননি। কী কারণে, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’ 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) গাজিউর রহমান বলেন, ‘কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনও চিহ্নিত করা যায়নি। পুলিশ এ ঘটনায় কাজ করছে। জমিজমা সংক্রান্ত ও মন্দিরের কমিটি নিয়ে বিরোধ কিংবা অন্য সম্প্রদায়ের সঙ্গে দ্বদ্বের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্য কোনো গোষ্ঠী এ ধরণের ঘটনায় ঘটিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট ও দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশে এসব মূর্তি ভাঙচুর করা হয়েছে কিনা তাও তদন্ত করা হচ্ছে। আশা করছি দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’