কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে কোরআন শরীফ রেখে ধর্ম অবমাননা, মণ্ডপে ভাংচুর-হামলার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ইকবাল হোসেনসহ চারজনকে দ্বিতীয় দফা রিমান্ড শেষে কুমিল্লার আদালতে তোলা হচ্ছে বুধবার দুপুরে।

সিআইডি কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) খান মোহাম্মদ রেজওয়ান সমকালকে জানান, ইকবালসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে। 

কোরআন অবমাননার এ মামলায় ইকবাল হোসেন ছাড়াও অন্য আসামিরা হলেন, ‘৯৯৯’ নম্বরে পুলিশকে ফোন করা রেজাউল ইসলাম ইকরাম, দারোগা বাড়ি মাজার মসজিদের সহকারী খাদেম ফয়সাল ও হুমায়ুন কবির সানাউল্লাহ।

গত ২৯ অক্টোবর কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানা সুলতানার আদালতে হাজির করে সিআইডি সাত দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

এর আগে গত ২১ অক্টোবর ইকবালকে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২৩ অক্টোবর দুপুরে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিথিলা জাহান নিপার আদালতে ইকবালসহ চার জনকে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তাদের প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। 

কুমিল্লা মহানগরের নানুয়ার দিঘীরপাড় পূজামণ্ডপে গত ১৩ অক্টোবর  ইকবাল হোসেন কোরআন শরীফ রাখার খবরে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। 

এ ঘটনার কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুন অর রশীদ বাদী হয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও কোরআন অবমাননার অভিযোগে মামলা করেন।

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ও ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১২টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে কোতোয়ালি মডেল থানায় ৮টি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় দুটি এবং দাউদকান্দি ও দেবিদ্বার থানায় একটি করে মামলা হয়েছে। 

এসব মামলায় ৩ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


বিষয় : কুমিল্লায় পূজামণ্ডপ ধর্ম অবমাননা সিআইডি

মন্তব্য করুন