নাসিরনগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা মামলার এক আসামি জেলা ছাত্রলীগের উপ-ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক কমিটির সম্পাদক হয়েছেন। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গত শনিবার এ কমিটি অনুমোদন করেছেন। তবে অভিযুক্ত ফারদিন তাহের রাহুলের দাবি, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রাজনৈতিক। মামলার চার্জশিট থেকে পুলিশ তার নাম বাদ দিয়েছে।

জানা গেছে, নাসিরনগরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে ২০১৬ সালের অক্টোবরে হিন্দু পল্লির মন্দির ও তাদের বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর মামলায় আসামি করা হয় উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের রাহুলকে। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারও করে। কিছুদিন পর জামিনে বের হয়ে মালয়েশিয়া চলে যান তিনি। প্রায় পাঁচ বছর পর সম্প্রতি দেশে ফিরে আসেন।

নাসিরনগর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক নাছির উদ্দিন রানা বলেন, রাহুল নাসিরনগর উপজেলা ছাত্রলীগের কোনো কমিটির সদস্য নয়। তিনি কীভাবে জেলা কমিটিতে পদ পেলেন, তা তার জানা নেই।

জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রবিউল হোসেন বলেন, রাহুল তাদের বলেছেন, মন্দির ভাঙার মামলা থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। মূলত রাজনৈতিক কারণে তার নাম জড়ানো হয়েছিল। পুলিশের চার্জশিটে নাম না থাকলে কাউকে অপরাধী বলা যায় না। 

তিনি বলেন, রাহুল চার্জশিট থেকে তার নাম বাদ দেওয়ার প্রমাণ দেখাতে না পারলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

রাহুল বলেন, হিন্দু পল্লিতে হামলার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই।