জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নড়াইলের কালিনগর বাজার এলাকার বাসিন্দা ফিরোজ ভূঁইয়া হত্যাকাণ্ডের রায়ে আসামি আলমগীর ভূঁইয়ার (৫০) মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। এই মামলায় আলমগীরের বাবা বাবা ছায়েন উদ্দিন (৭৮), দুই ভাই হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া (৫৫) ও জঙ্গু ভূঁইয়ার (৫৬) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় এসেছে।

সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন নড়াইল জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি অ্যাডভোকেট এমদাদুল ইসলাম এমদাদ। আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট নেওয়াজ মাহমুদ তুহিন ও অ্যাডভোকেট এসএম ওয়ালিউর রহমান। রায় ঘোষণার পর আসামিদের স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। 

এদিকে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদীপক্ষ। 

পিপি অ্যাডভোকেট এমদাদুল ইসলাম এমদাদ বলেন, রোববার বেলা ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ দণ্ডাদেশ ঘোষণা দেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের আরও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। 

মামলার বিবরণে জানা যায়, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ২০১৪ সালের ১৮ জানুয়ারি সকাল ৯টার দিকে কালিনগর গ্রামের বাসিন্দা ফিরোজ ভূঁইয়াকে  আসামিরা কালিনগর বাজার এলাকায় দেশি অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নড়াগাতি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন রবিউল ইসলাম।

অ্যাডভোকেট এমদাদুল ইসলাম এমদাদ জানান, এই মামলায় ১৬ জনের সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত রোববার রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গু ভূঁইয়া পলাতক রয়েছেন।