সিলেট নগরীর মিরের ময়দান এলাকা থেকে নিখোঁজের দুই দিন পর রোমানা বেগমের (৩৭) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আর সুনামগঞ্জের ছাতকে নিখোঁজ খুশি বেগমের (১৫) লাশ পাওয়া গেল নিখোঁজের তিন দিন পর।

সোমবার বেলা দেড়টার দিকে দক্ষিণ সুরমার কানিশাইল এলাকার সুরমা নদী থেকে রোমানা বেগমের লাশ উদ্ধার করা হয়। রোমানা মিরের ময়দানের আব্দুল হামিদের স্ত্রী। শনিবার দুপুরে তিনি বাসা থেকে কাউকে কিছু না বলে বেরিয়ে যান। পরদিন রোববার থানায় জিডিও করেন হামিদ। আব্দুল হামিদ জানান, তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি কামরম্নল হাসান তালুকদার জানান, ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় নদী থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মানসিক সমস্যার কারণেই তিনি নদীতে পড়ে মারা গেছেন। তার পরও ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

এদিকে নিখোঁজ হওয়ার ৩ দিন পর খুশি বেগমের লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। সে উপজেলার কালারকা ইউনিয়নের গৌরিপুর গ্রামের কবির মিয়ার মেয়ে। 

সোমবার ময়না তদন্ত শেষে দুপুরে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে রোববার গৌরিপুর এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাতে খুশি বেগম নিজ বাড়ী থেকে নিখোঁজ হয়। বৃহস্পতিবার খুশির বাবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর রোববার গ্রামের একটি ধান ক্ষেতে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

কবির মিয়া বলেন, সম্প্রতি লন্ডন প্রবাসী এক ছেলে সঙ্গে মোবাইল ফোনে খুশির বিয়ে হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবেশী এক ছেলে তার মেয়েকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে।

থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।