নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্বের জের ধরে কাদের মির্জার অনুসারীদের দায়ের করা দুটি মামলায় এক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৩ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। 

আসামিরা হলেন- চরফকিরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক ওরফে কানা রাজ্জাক, চরএলাহী ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রহিম, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জায়েদুল হক কচি, চর ফকিরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশ্রাফ হোসেন রবেন্স, উপজেলা যুবলীগের সদস্য শাহদাত হোসেন পবেন্স, চরএলাহী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, আবদুল আজিজ, শেখ বেলাল, মো. রিপন, এমরান হোসেন, মো.শাহীন। 

মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মোছলেহ্ উদ্দিন মিজানের আদালত এ আদেশ দেন। বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম।

পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে চারটি মামলায় মোট ৭৬ জন আসামি আত্মসমর্পণ করলে আদালত কোম্পানীগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দুটি মামলায় ১৩ আসামির জামিন নামঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ওই ১৩ আসামি হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের অন্তবর্তীকালীন জামিনে ছিলেন।

আসামিরা সবাই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী।

আসামি পক্ষের আইনজীবী হারুনুর রশিদ হাওলাদার বলেন, আসামিরা হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্ত ছিলেন। মঙ্গলবার আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠান। হাইকোর্টের নির্দেশনামা যদি দায়রা জজ কিংবা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজেস্ট্রেটের আদালতে শুনানির নিয়ম থাকত তাহলে আসামিরা মুক্তি পেত।