কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেলকে নিজ কার্যালয়ে ঢুকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মাসুম নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মাসুম ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারনামীয় আসামি এবং নগরীর সংরাইশ এলাকার মঞ্জিল মিয়ার ছেলে। 

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লার চান্দিনা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সোহান সরকার।

তিনি বলেন, ঘটনার পর মাসুম চান্দিনায় পালিয়ে যায়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। কাউন্সিলর সোহেলসহ জোড়া খুন মামলায় মাসুম এজাহারভুক্ত ৯ নম্বর আসামি। তাকে চান্দিনা থেকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানায় আনা হয়েছে।

এর আগে বুধবার এই মামলায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা থেকে এজাহারভুক্ত ৪ নম্বর আসামি সুমনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। সুমন শহরের সুজানগর পূর্ব পাড়া বৌবাজার এলাকার মৃত কানু মিয়ার ছেলে।

গত মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলাটি করেন। মামলায় শহরের সুজানগর বৌবাজার এলাকার মৃত জানু মিয়ার ছেলে ‘মাদক ব্যবসায়ী’ শাহ আলমকে প্রধান করে ১১ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও ৮/১০ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

উল্লেখ্য, গত সোমবার বিকেলে নগরীর পাথুরিয়াপাড়ায় ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র সৈয়দ মো. সোহেলের কার্যালয়ে গুলি করে মুখোশধারী সন্ত্রাসীরা। গুলিতে সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহা নিহত হন। এ সময় আহত হন আরও অন্তত পাঁচ জন। আহতরা বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে তারা শঙ্কামুক্ত।