বঙ্গোপসাগরে ৬০ ঘণ্টা ডাকাতদের হাতে জিম্মি থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন শরণখোলা ও পাথরঘাটার অপহৃত সাত জেলে। 

বৃহস্পতিবার সকালে জেলেরা নিজ নিজ বাড়ি ফিরে আসেন।

জিম্মিদশা থেকে ফিরে আসা শরণখোলার জেলে লোকমান ও জাকির হোসেন জানান, গত ২১ নভেম্বর রাতে ডাকাত দলটি তাদের অপহরণ করে একটি ফিশিং ট্রলারের আইসকুঠুরিতে আটকে রাখে। সেখানে আগে থেকেই পাথরঘাটার জেলে নেছার খান, কামাল হোসেন, জামাল হোসেন, পিরোজপুরের হেলাল ও জাহাঙ্গীরকে অপহরণ করে আটক রাখা হয়। সারারাত ট্রলার চালিয়ে ডাকাতরা তাদের অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। কোনো খাবার না দিয়ে তাদের বেদম মারধর করে। অপহরণের একদিন পর মোবাইলে মালিকদের কাছে মুক্তিপণ হিসেবে তিন লাখ টাকা দাবি করে ডাকাত দল। পরে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠানো হলে বুধবার ভোরে তাদের আইসকুঠুরিতে আটকে রেখে অপর একটি ট্রলারে করে ডাকত দলটি পালিয়ে যায়। সেখান থেকে বের হয়ে জেলেরা জানতে পারেন তারা ভোলার চর মমতাজে আছেন। সেখান থেকে ট্রলার চালিয়ে কুয়াকাটায় এসে নৌ-পুলিশ এবং শরণখোলা থানা পুলিশের সহায়তায় তারা বাড়ি ফিরে আসেন।

থানার ওসি সাইদুর রহমান জানান, ডাকাতদের ব্যবহূত ট্রলারে জেলেরা ফিরে আসায় স্থানীয় জেলেরা তাদের ডাকাত সন্দেহ করে। পরে নৌ-পুলিশ ও র‌্যাবের সহায়তায় তাদের পরিচয় নিশ্চিত করে জেলেদের বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করা হয়।