লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি)  নির্বাচনী সহিংসতায় সাজ্জাদুর রহমান সজিব (২৫) নামে এক ছাত্রলীগ নেতা নিহত হয়েছেন। তিনি ইছাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।

রোববার দুপুরে রামগঞ্জ সদর ইউনিয়নের নয়নপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট চলাকালে ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নিতে গিয়ে মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত হন সজিব। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়া হচ্ছিল। পথে চাঁদপুরে তার মৃত্যু হয়। এছাড়া এ ঘটনায় আহত হন আরও অন্তত ১০ জন।

নির্বাচনী সহিংসতা হয়েছে জেলাটির রায়পুর উপজেলায়ও। এতে গণমাধ্যমকর্মীসহ আহত হন অন্তত ২০ জন। উপজেলার দক্ষিণ চর আবাবিল এলাকার ৯নং ওয়ার্ডে এসএ টিভির গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। পাশাপাশি গণমাধ্যমর্কীর ক্যামরাও ছিনতাই করা হয়।

অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০ জনকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে এলজিসহ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়।

রামগঞ্জের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, লাঠির আঘাতে সজিবের মাথায় জখম হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

ওসি আরও বলেন, নির্বাচনী সহিংসতার উদ্দেশে বাদুর ইউনিয়নের মধ্য বাদুরসহ বিভিন্ন স্থানে লোকজন অবস্থান নিয়েছিল। পরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০ জনকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে এলজিসহ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়।