কক্সবাজার শহরের ঐতিহ্যবাহী বাঁকখালী নদীর প্যারাবন রক্ষা ও অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের দাবিতে শহরের কস্তুরাঘাটের বাঁকখালী নদীর প্যারাবন-সংলগ্ন এলাকায় মানববন্ধন করেছে পরিবেশবিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'এনভায়রনমেন্ট পিপল'। এর আগে পরিবেশকর্মীরা বাঁকখালী নদীর দখল, দূষণ, ভরাট, স্থাপনা নির্মাণ, বর্জ্য ফেলা ও প্যারাবনের গাছ কাটার ভয়াবহ অবস্থা পরিদর্শন করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বঙ্গোপসাগর ও বাঁকখালী নদীর তীরেই গড়ে উঠেছে কক্সবাজার শহর। সেই ঐতিহ্যের বাঁকখালী নদী আজ দখল-দূষণে হুমকির মুখে পড়েছে। প্রকাশ্যে নদী ভরাট করে সরকারি জমি দখলে নিয়ে পল্গট আকারে বিক্রি হচ্ছে। নদীর জোয়ার-ভাটার প্রবাহ বাঁধ দিয়ে বন্ধ করে ভরাট করা হচ্ছে। ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে বাঁকখালী নদীর জীববৈচিত্র্য। প্যারাবনে থাকা হাজার হাজার পাখির আবাসস্থল ধ্বংস করা হয়েছে। কয়েকদিনের ব্যবধানে প্যারাবনের অন্তত ১৫ হাজার গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে।

এ সময় বক্তারা বাঁকখালী নদী, প্যারাবন, পাখির আবাসস্থল রক্ষা ও প্যারাবনের গাছ কর্তনকারীদের আইনের আওতায় এনে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের দাবি জানান।

এনভায়রনমেন্ট পিপলের প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ বলেন, 'প্রতিদিন প্যারাবনের হাজার হাজার গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। প্যারাবনে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। দখলদাররা আইনের কোনো তোয়াক্কা করে না। আমরা এর প্রতিকার চাই।'