চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের পূর্ব সৈয়দপুরে অস্ত্র দিয়ে প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেছেন কামরুল হাসান ও তার সহযোগী মো. আরাফাত। দুজনই এখন অস্ত্র মামলার আসামি। 

বাড়ির সীমানা নিয়ে বেশক’দিন ধরে প্রতিবেশী আরিফের সঙ্গে বিরোধ চলছিল তাদের। আরিফকে ফাঁসাতে তারা তার ঘরের পেছনে গর্তে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র তারা লুকিয়ে রাখে। পরে ‘আরিফের বাড়িতে অস্ত্র আছে’ এমন তথ্য জানায় র‌্যাব-৭ অফিসে। 

কিন্তু র‌্যাব-৭ এর একটি দল অস্ত্র উদ্ধারের পর অনুসন্ধানে জানতে পারে, আরিফকে ফাঁসাতে গিয়ে এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন কামরুল ও আরাফাত। পরে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়। 

চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭ সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) নিয়াজ মোহাম্মদ সমকালকে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘অস্ত্র উদ্ধারের পর স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দুজনকে সন্দেহ হয়। এরপর অস্ত্রের তথ্য প্রদানকারী কামরুল ও আরাফাতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে র‌্যাব। তারা স্বীকার করেছেন, প্রতিবেশী আরিফের সঙ্গে কামরুলের দীর্ঘদিন থেকে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে সংঘর্ষও হয়েছে। পরে স্থানীয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে মীমাংসা হয়। কিন্তু আরিফের প্রতি ক্ষোভ থেকে যায় কামরুলের। সেই ক্ষোভ থেকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসাতে তাঁর বসতবাড়ির পেছনে অস্ত্র রেখে র‌্যাবকে খবর দেন তিনি।’

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সৈয়দপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ এইচ এম তাজুল ইসলাম নিজামী বলেন, ‘কামরুল এলাকায় বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল।’