বাংলাদেশি এক চিকিৎসকের সঙ্গে প্রেমের টানে এ দেশে চলে এসেছেন আয়েশা ওজতেকিন নামে তুরস্কের এক নারী চিকিৎসক। শুধু তা-ই নয়, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় দুজনে বিয়েও সেরে ফেলেছেন।

শুক্রবার মুক্তাগাছার নন্দীবাড়ি কমিউনিটি সেন্টারে জমাকালো এক অনুষ্ঠানে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এই বিয়ে অনুষ্ঠানে শত শত অতিথি আসেন শুধু তাদের একনজর দেখতে। শনিবারও বরের বাড়ি শহরের লক্ষ্মীখোলায় তাদের দেখতে ভিড় জমায় মানুষজন।

লক্ষ্মীখোলা এলাকার অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য হাসান আলীর তিন ছেলের মধ্যে সবার বড় হুমায়ুন কবির। ২০১০ সালে তুরস্কের এক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পড়তে যান হুমায়ূন। সেখানে টানা সাতবছর ছিলেন তিনি। ওই কলেজের একই ব্যাচের ছাত্রী আয়েশা ওজতেকিন।

২০১৮ সালে তাদের পরিচয় হয়। এরপর প্রেম। চারবছর প্রেমের পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে এই ডিসেম্বরেই হুমায়ূনের সঙ্গে বাংলাদেশে চলে আসেন আয়েশা।

হুমায়ূনের মা হুসনে আরা বিউটি বলেন, দুই পরিবারের সম্মতিতেই তাদের বিয়ে হয়েছে। মেয়ের পরিবারের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। এমন বউ পেয়ে আমি সত্যিই অনেক খুশি।

আয়েশা ওজতেকিন বলেন, আমাদের মধ্যে ভালো একটা সম্পর্ক রয়েছে। জীবনে আমরা অনেক খুশি। তিনি এ দেশের মানুষ ও তার শ্বশুড়বাড়ির লোকজনের অনেক প্রশংসাও করেন।

চিকিৎসক হুমায়ূন কবির বলেন, আমাদের মধ্যে প্রথমে পরিচয় হয়, এরপর প্রেম। এরপর তার পরিবারের সম্মতি পেয়ে তাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসি। পরে আমাদের বিয়ের আয়োজন করে আমার পরিবার।