নড়াইলে মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনায় ডিসি অফিসের চার কর্মচারীকে ওএসডি করা হয়েছে। এছাড়া মঙ্গলবার তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দেওয়ার পর বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান। 

রোববার নড়াইল মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সঙ্গে এক যৌথ সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার ও জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন বিগত কমিটির জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গোলাম কবির, জেলা ডেপুটি কমান্ডার অ্যাডভোকেট এসএ মতিন, মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার অ্যাডভোকেট শরীফ হুমায়ুন কবির, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হাই বিশ্বাস, নড়াইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এনামুল কবির টুকু, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের প্রকৌশলী খসরুল আলম পলাশ প্রমুখ।

জানা গেছে, শুক্রবার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নড়াইল মুক্ত দিবসের আলোচনা সভার শেষ পর্যায়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডিসি অফিসের কর্মচারী বাবর আলী ও এনামুলের নেতৃত্বে ১০-১২ জন সেখানে উপস্থিত জেলা ডেপুটি কমান্ডার এসএ মতিন ও মুক্তিযোদ্ধা সাইফুর রহমান হিলুকে চেয়ার দিয়ে মারতে যায় এবং গালাগাল করে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আয়োজনে নড়াইল মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে এক প্রতিবাদ সভা শেষে নড়াইল-যশোর সড়ক ১৫ মিনিটের জন্য অবরোধ করা হয়।