নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে সম্মিলিত নাগরিক জোটের ব্যানারে প্রার্থী হচ্ছেন তৈমূর আলম খন্দকার। আপতত স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকলেও শেষ পর্যন্ত এই বিএনপি নেতা নাগরিক জোটের ব্যানারে প্রার্থী হবেন বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। তবে সে জন্য ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ওই দিন প্রতীক বরাদ্দের পর তৈমূরের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা আসবে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া তৈমূরের পক্ষে মাঠে নামছেন বিএনপির দুই সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ও মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।

রোববার কদমরসুল দরগাহ জিয়ারত করেন তৈমূর আলম। 

সবাইকে চমকে দিয়ে সেদিন তার সঙ্গে জিয়ারতে যান আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা এসএম আকরাম। ২০১১ সালে যেই আকরাম ছিলেন ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর পাশে, তিনিই এবার বলয় পাল্টে দাঁড়িয়েছেন তৈমূরের পাশে।

এসএম আকরাম সেদিন বলেন, আজকে আমি এসেছি সবাইকে বোঝাতে যে, আমি তৈমূরের পাশে আছি। তৈমূর নির্বাচিত হোক এটা আমার একান্ত কাম্য।

তৈমূর আলম খন্দকার বলয়ের এক নেতা বলেন, এসএম আকরাম হবেন তৈমূরের প্রধান নির্বাচন সমন্বয়ক। পাশাপাশি বিএনপির দুই সাবেক এমপি আবুল কালাম ও গিয়াস উদ্দিনের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বন্দর ও সিদ্ধিরগঞ্জে ভোট ব্যাংক তৈমূরের পক্ষে রাখতে। আর শহরে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করবেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল।

এরই মধ্যে এটিএম কামাল নিজেই তৈমূর আলম খন্দকারের সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, তৈমূর আলমের পাশে দলমত নির্বিশেষে সবাই হাজির হয়েছেন। তিনি বিএনপির জাতীয় পর্যায়ের একজন নেতা। তার ব্যক্তিজনপ্রিয়তা অনেক। তাই তার পক্ষে জনসমর্থন বৃদ্ধি পাওয়াটাই স্বাভাবিক।

সিদ্ধিরগঞ্জ বিএনপির সাবেক নেতা মাজেদুল ইসলাম বলেন, তৈমূর আলমকে জয় এনে দিতে পারলে বিএনপি লাভবান হবে। তার পক্ষে কাজ করতে বিএনপির নেতাকর্মীরা আগ্রহ দেখিয়েছেন। গিয়াস উদ্দিনের অবস্থান দু-একদিনের মধ্যেই জানানো হবে।

মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবুল কাউসার আশা বলেন, তৈমূর আলমের পক্ষে কাজ করার বিষয়ে আবুল কালামের অবস্থান শিগগিরই পরিষ্কার হয়ে যাবে।