চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের অংশ হিসেবে নোয়াখালীর সদর ও কবিরহাট উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নে রোববার ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হবে। নির্বাচনে ১৬ ইউনিয়নের ১৫৮ কেন্দ্রের মধ্যে ১০১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

শনিবার দুপুরে নির্বাচন নিয়ে নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে প্রশাসনের করণীয় শীর্ষক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে ওই ১০১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। 

অনুষ্ঠেয় ১৬ ইউনিয়নের মধ্যে সদর উপজেলার ৯টি এবং কবিরহাট উপজেলার  ৭টি ইউনিয়ন রয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলার ৯ ইউনিয়নে ৯২টি ও কবিরহাটের  ৭ ইউনিয়নে ৬৬টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে। ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে প্রতিটি কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছানো হয়েছে। 

শনিবার জিলা স্কুল মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ব্রিফ করেন জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট উপহার দেওয়ার জন্য সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রবিউল আলম বলেছেন, ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত  সুন্দর। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে একজন পুলিশ কর্মকর্তা, তিন জন কনস্টেবল, সাত জন নারী সদস্যসহ ১৭জন আনসারসহ মোট ২২জন দায়িত্ব পালন করবেন। 

এছাড়াও পুলিশের মোবাইল টিম, সাদা পোশাকের পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে। স্টাইকিং ফোর্সের দায়িত্বে থাকবেন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। 

নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, নির্বাচনে কোনো প্রকার অনিয়ম ও দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। ভোটগ্রহণ কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের এই ব্যাপারে কঠোর নিদের্শনা দেওয়া আছে। নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে ও কেন্দ্রের বাহিরে পর্যাপ্ত পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োজিত থাকবেন। কেউ যদি কেন্দ্রের ভেতরে ও বাহিরে কোনো প্রকার গোলযোগ সৃষ্টি কিংবা ভোটে প্রভাব বিস্তারের অপচেষ্টা করে তাহলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।