শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত এক সপ্তাহে তাড়াশ উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে শিশু, বয়স্ক ব্যাক্তিসহ প্রায় ৪ শতাধিক ব্যক্তি ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে ডায়রিয়া আক্রান্ত অধিকাংশই শিশু বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

অবশ্য তাড়াশ উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. রুম্মান জানিয়েছেন, এতে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। কারণ সরকারি এ হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে।

জানা যায়, গত কয়েক দিনে চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। এতে করে শিশু ও বয়স্ক মানুষের কষ্ট বেড়ে গেছে। আর হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, শীতের এ তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে গত ১৭ ডিসেম্বর থেকে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৭ দিনে এ হাসপাতালে প্রায় ৪০ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী আন্তঃ বিভাগে ভর্তি ছিল। যার অধিকাংশই শিশু। আবার একই সময়ে জরুরি বিভাগে আরও প্রায় ১০০ জন ও বহির বিভাগে প্রায় ৩০০ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।

এ দিকে তাড়াশ উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপালে কর্মরত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. মনোয়ার হোসেন বলেন, মূলত শীতকালে কখনও কখনও ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। আর এবারও শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে এ এলাকায় শতীকালীন ডায়রিয়া একটু বেড়েছে। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কারণ সরকারি এ হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আছে। আর এমনিতেই বর্তমান সময়ের ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীরা সরকারি এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিলে তিন থেকে চার দিনের মধ্যে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেন।

এ ছাড়া তিনি শীতের এ সময়ে সবাইকে শিশু ও বয়স্কদের প্রতি যত্নশীল হওয়ার পরামর্শ দেন।