লক্ষ্মীপুরে চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনের দিন বিকেলে দুই মেম্বার পদপ্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের সংঘর্ষে প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিশ সদস্যসহ ৩০ জন আহত হয়েছেন।

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি এ কে ফজলুল হক সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রোববার বেলা আড়াইটার দিকে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্রে প্রকাশ্যে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেওয়ার অভিযোগ আসে। এসময় প্রতিপক্ষের হামলায় নৌকা মার্কার প্রার্থী আইনুল আহাম্মেদ তানভীনের গাড়ি ভাংচুর করা হয়।

পরে প্রতিপক্ষ সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হন প্রিজাইডিং অফিসার নূর মোহাম্মদসহ আরও ১০ জন। পরিস্থিতি রক্ষার্থে পুলিশ ১০ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে। ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার নূর মোহাম্মদকে গুরুতর আহত অবস্থায় লক্ষ্মীপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এছাড়া জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগ এনে সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউপির দক্ষিণ চররমনী মোহন সরকারি প্রাথমিক প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে মোরগ মার্কার মেম্বার প্রার্থী খোরশেদ আলম সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে ফুটবল মার্কার প্রার্থী চৌধুরী মাঝীর। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে। এসময় উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ ২০ জন আহত হয়। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্য জাবেদসহ চররমনীমোহন এলাকার বাসিন্দা মাকসুদ (৩০), জাকির (১৭), জসিম (১৬), জলিল (৩০),আবু ছায়েদ ,পিয়ারা বেগমসহ (৫০) ২০ জনকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এছাড়া বিক্ষিপ্তভাবে সংঘর্ষ হয়েছে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ,দত্তপাড়া,হামছাদী, চরশাহী, বশিকপুর ও শাকচর ইউনিয়নে।