ঢাকা রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪

সমুদ্রসৈকতে দুই জেলেকে মারধর, ফোন পেয়ে উদ্ধার করল নৌ-পুলিশ

সমুদ্রসৈকতে দুই জেলেকে মারধর, ফোন পেয়ে উদ্ধার করল নৌ-পুলিশ

৯৯৯ ফোন পেয়ে দুই জেলেকে উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। ছবি: সমকাল

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১৮:১৬

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে একটি ট্রলারে ২ জেলেকে মারধর করছিলেন মাঝিসহ ৩ জন। এ সময় এ দৃশ্য দেখে ৯৯৯ ফোন করেন এক পর্যটক। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই জেলেকে উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। একই সঙ্গে হামলাকারীদের আটক করা হয়। মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুয়াকাটা সৈকত এলাকায় নোঙ্গর করা একটি ট্রলারে ওই জেলেদের মারধরের দৃশ্য দেখে মেহেদী নামে এক পর্যটক ৯৯৯ ফোন করেন। পরে কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই জেলেকে হেফাজতে নেয় ও বাকিদের আটক করে।

আটকরা হলেন- ট্রলারের মাঝি তপন দাস (৩০) ও তার দুই সহযোগী রফিক ও তারেক। তপন দাস চট্টগ্রামের চকরিয়ার সোটন দাসের ছেলে। তার দুই সহযোগী চট্টগ্রামের বাসিন্দা। 

মারধরের শিকার জেলে আকাশ (১৬) চট্টগ্রামের পটিয়া এলাকার মনজুর আলমের ছেলে ও কামাল হোসেন (১৭) ঈদগা এলাকার মো. নুরুল আমিনের ছেলে।

জেলে আকাশ ও কামাল জানান, চট্টগ্রামের বাঁশখালী এলাকার মোজাফফরের মালিকানাধীন ট্রলারে দীর্ঘদিন ধরে মাছ শিকার করছেন তারা। গত ৫ দিন আগে ফের তারা সমুদ্রে যায়। পরবর্তী সময়ে আকাশ ও কামাল পাওনা টাকা চায় ও টাকা না পেলে মাছ ধরতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাঝি তপন ও তার দুই সহযোগী তাদের বেধড়ক মারধর করে।

কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ওই দুই জেলেকে গভীর সমুদ্রে কয়েকবার মারধর করা হয়েছে। আজ মাছ বিক্রির জন্য কুয়াকাটায় ট্রলার নোঙ্গর করা হয়। এ সময় দুই জেলে ট্রলার থেকে নেমে যেতে চাইলে তাদের আবার মারধর করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ৯৯৯ ফোন পেয়ে আমরা অভিযুক্তদের আটক করেছি ও মারধরের শিকার আকাশ ও কামাল আমাদের হেফাজতে আছে। আমরা বিষয়টি তাদের অভিভাবককে জানাব। পরবর্তী সময়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 

আরও পড়ুন

×