ঢাকা শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪

পার্বত্য অঞ্চলের সমৃদ্ধির জন্য শেখ হাসিনার বিজয় দরকার

আলোচনা সভায় বিশিষ্টজন

পার্বত্য অঞ্চলের সমৃদ্ধির জন্য শেখ হাসিনার বিজয় দরকার

চবিতে আলোচনা সভা

চবি প্রতিনিধি 

প্রকাশ: ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ | ২০:২৯

ঐতিহাসিক পাবর্ত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি হওয়ায় এ অঞ্চলের প্রায় ৯০ শতাংশ সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। এখন আর সবুজ পাহাড়ে হিংসার ঝরনাধারা প্রবাহিত হয় না। শান্তি-সম্প্রীতির সুবাতাস বইছে সেখানে। তবে দেশি-বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে এখনও কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। পার্বত্যাঞ্চলের সমৃদ্ধির জন্য আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আবারও বিজয়ী হওয়া দরকার। 

বুধবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ২৬ বছর পূর্তি: শান্তি, সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের নিরিখে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশিষ্টজন এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চট্টগ্রাম সেন্টার ফর রিজিওনাল স্টাডিজ বাংলাদেশ (সিসিআরএসবিডি) এ সভার আয়োজন করে। 

চবির সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল মনছুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক শিরীণ আখতার, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল ফারুক, চবি জাদুঘরের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ বশির আহাম্মদ, নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক আনোয়ার সাঈদ। 

অধ্যাপক শিরীণ আখতার বলেন, পৃথিবীর অনেক জায়গায় শান্তিচুক্তি হয়েছে। কিন্তু আমাদের শান্তিচুক্তি অনন্য। একটা সময় আমরা শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামে মৃত্যুর খবর শুনতাম। আমরা খুব খারাপ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে সেই সময়টা পার করেছি। তখন সেনা সদস্যরা বাড়ি থেকে পার্বত্যাঞ্চলের উদ্দেশে বের হতো বিদায় নিয়ে। তারা জানত না আবার বাড়িতে ফিরতে পারবে কিনা। কিন্তু আজকে আমরা এ অঞ্চলে নির্বিঘ্নে ঘুরতে যাই। 

অধ্যাপক আনোয়ার সাঈদ বলেন, পার্বত্যাঞ্চলে বর্তমানে সংঘাত চললেও আগের চেয়ে কমে এসেছে। এখন সেখানে শান্তি-সম্প্রীতির সুবাতাস বইছে। অধ্যাপক বশির আহাম্মদ বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রায় দু’দশকের বেশি অশান্তি বিরাজ করেছে। এ অঞ্চলের সশস্ত্র সংগঠন জনসংহতি সমিতির সঙ্গে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি হওয়ায় প্রায় ৯০ শতাংশ সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। শান্তিচুক্তির ৭২টি ধারার বেশির ভাগই বাস্তবায়িত হয়েছে। 

অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল ফারুক বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে এবং কোনো তৃতীয় পক্ষের অংশগ্রহণ ছাড়াই এ চুক্তি করতে সক্ষম হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। 

আরও পড়ুন

×