ঢাকা মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪

প্রকৃতি রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশটাই শুধু অমান্য হয়

সভায় বক্তারা

প্রকৃতি রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশটাই শুধু অমান্য হয়

আলোচনা সভায় অতিথিরা। ছবি: সমকাল

বরিশাল ব্যুরো

প্রকাশ: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩ | ২১:৫৬

বরিশালে এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, দেশে প্রধানমন্ত্রীর সব নির্দেশই পালন হয়, শুধু একটি নির্দেশ কেউ মানেন না। প্রধানমন্ত্রী যে বারবার বলে আসছেন উন্নয়ন কাজের জন্য নদী-খাল-জলাশয় ভরাট এবং কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না, তাঁর এই নির্দেশটিই প্রতিনিয়ত অমান্য করা হচ্ছে। 

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) আয়োজিত ‘প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জলাশয়-জলাভূমি সংরক্ষণের গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনাসভায় বক্তারা এ কথা বলেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা বলেন, আমরা উন্নয়ন চাই, কিন্তু পরিবেশ ও প্রকৃতি ধ্বংস করে নয়। দেশের সংবিধানে সব আইন আছে, কিন্তু বাস্তবায়ন নেই। প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি ছাড়া কোনো জলাধার-জলাশয় ভরাট করা যাবে না– এমন একটি বাস্তবায়নযোগ্য আইন করা হোক। 

আলোচনাসভায় জানানো হয়, বরিশাল নগরীতে আটটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ইটিপি থাকলেও তা বন্ধ রেখে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে কীর্তনখোলা নদীতে। এতে কীর্তনখোলার পানি স্বচ্ছ দেখালেও পান করার উপযোগিতা নেই। পরিবেশ অধিদপ্তর ও বনবিভাগ পরিবেশ-সংক্রান্ত বিষয়ে দায় এড়াতে একে অপরের দিকে ঠেলে দেয়। সিটি করপোরেশন উন্নয়নের নামে খাল ভরাট করে নির্মাণ করছে ড্রেন। 

বক্তাদের অভিযোগ, জলাধার-জলাশয় ভরাটের সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহল ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ীরা জড়িত থাকেন, যে কারণে এর বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ হয় না। 

মো. আবদুল মোতালেব হাওলাদারের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আঞ্জুমানে নেছা, সিটি করপোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী মুকসিমুল হাকিম রেজা, এনজিও সংগঠক রফিকুল আলম, বেলার সমন্বয়ক লিংকন বায়েন, কাজী এনায়েত হোসেন, আব্দুল হাই মাহবুব প্রমুখ।


 

আরও পড়ুন

×