ঢাকা শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

শনির হাওরে বোরো চাষির ব্যস্ত সময় শুরু

শনির হাওরে বোরো চাষির ব্যস্ত সময় শুরু

পানি নেমে যাওয়ায় প্রস্তুত হাওরের বোরো জমি। ছবিটি তাহিরপুরের মারালা গ্রামের সমকাল

 তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | ২২:২৭

সুনামগঞ্জের সবচেয়ে বড় বোরো ফসলি ধানের ক্ষেত্র শনির হাওরে বোরো রোপণে শুরু হয়েছে কৃষকের ব্যস্ততা। তাহিরপুর, জামালগঞ্জ ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নিয়ে শনির হাওরের ভৌগোলিক অবস্থান। এরই মধ্যে এসব উপজেলার জমিগুলোতে পানি সরিয়ে নিয়ে ধান রোপণের কাজ শুরু করেছেন স্থানীয় বোরো চাষিরা।

এদিকে বোরো ধানের চারা রোপণ করতে শনির হাওর পাড়ের কৃষকদের তাগিদে হাওরের পানি কমানোর জন্য সংলগ্ন স্লুইসগেটের সব ফল বোর্ড খুলে দেওয়া হয়েছে। শনির হাওরপাড়ের উজান তাহিরপুর গ্রামের কৃষক ইসলাম উদ্দিন জানান, বোরো ধানের চারা রোপণের এখন চূড়ান্ত সময়। দ্রুত সময়ের মধ্যে ধানের চারা রোপণ করতে শনির হাওরের স্লুইসগেটের ফল বোর্ডগুলো খুলে দেওয়ায় পানি সরে যাচ্ছে। এতে ধানের চারা রোপণে কৃষকদের বেশ সহায়তা হয়েছে।
হাওরপাড়ের মারালা গ্রামের কৃষক মিয়া হোসেন জানান, যথাসময়ে খুলে দেওয়ায় যেভাবে পানি সরে যাচ্ছে, তাতে এবার হাওরে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা নেই। পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় বেশি পরিমাণ জমি বোরো চাষের আওতায় আনা যাবে। 

শনির হাওরের ইজারাদার তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শামীম আখঞ্জি জানান, এক মাসের মধ্যেই হাওরের জমিতে বোরো রোপণের কাজ সুন্দরভাবে শেষ করা যাবে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তাহিরপুর উপজেলার উপসহকারী প্রকৌশলী মনির হোসেন জানান, জমিগুলো বোরো চাষের উপযোগী করে তুলতে স্লুইসগেটের ফল বোর্ডগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। 
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. 
হাসান-উদ-দৌলা জানান, শনির হাওরে এ বছর ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। কৃষকরা বোরো রোপণে ব্যস্ত। 

আরও পড়ুন

×