ঢাকা বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

কুতুবদিয়ায় বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স উদ্বোধন

কুতুবদিয়ায় বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স উদ্বোধন

কুতুবদিয়া বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স মসজিদ

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৪ | ১৯:২৩

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় দক্ষিণ ধূরুং ইউনিয়নে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে গড়া ‘বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে খতমে কোরআন, মিলাদ, দোয়া মাহফিল এবং জুমার নামাজের পর বিশেষ দোয়ার মধ্য দিয়ে কমপ্লেক্সটি উদ্বোধন করা হয়। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-২ আসনের তিনবারের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য আশেকুর রহমান, কক্সবাজার পৌর যুবলীগের সাবেক সদস্য মাশেকুর রহমান, কুতুবদিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আওরঙ্গজব মাতবর, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তাহের, কুতুবদিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবু জাফর সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলমসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। 

জানা যায়, কুতুবদিয়ার দক্ষিণ ধূরুং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জালাল আহমেদ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের মানুষ ছিলেন। তার পৈত্রিক জমিতে নির্মাণ করা হয়েছে এই বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স। অনেক আগে এখানেই গড়া হয়েছিল গ্রামের প্রশাসনিক কেন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদ, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। গড়া হয়েছিল যোগাযোগের মাধ্যম আকবরশাহ রোড। এই আকবরশাহ রোড-আজম রোড সংযোগস্থলকে দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। আর এর প্রবেশমুখেই নির্মাণ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু গেট। 

বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্সে রয়েছে মসজিদ, বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা নামে হেফজ খানা, শেখ হাসিনা বালিকা মাদ্রাসা, শেখ রাসেল বালক মাদ্রাসা, স্কুল, পুকুর ঘাট, ঈদগাহ ময়দানের মেহেরাব, জানাজার মুর্দার ঘর, আবাসিক-অনাবাসিক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রান্নাঘর এবং খাওয়ার ঘর, ভদ্র মহোদয়দের জন্য বৈঠক খানা, জনস্বার্থে কবরস্থান গেট ইত্যাদি। 
 
বীর মুক্তিযোদ্ধা জালাল আহমেদ বলেন, ‘আমি পাকিস্তানের রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার আসামি ছিলাম। মাধ্যমিক স্কুলে পড়ার সময় ধুরুং হাই স্কুলের ছাত্র সংসদের নির্বাচিত জিএস, নাজির হাট কলেজ ছাত্র সংসদের ছাত্রলীগের এজিএস এবং সাতকানিয়া কলেজ ছাত্রলীগের ছাত্র সংসদের নির্বাচিত জিএস ছিলাম। ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলাম। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনগণকে সংগঠিত করায় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার আমার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দেয়। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, আলবদর শামস, রাজাকারদের সহযোগিতায় তারা আমার বাড়িতে আগুন দেয়। এছাড়া লুটপাট করা হয়েছিল তৎকালীন প্রায় ৫ লাখ টাকা।’ মুক্তিযোদ্ধা জালাল আহমেদে নীরবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে সমাজের জন্য কাজ করে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেন। 

আরও পড়ুন

×