ঢাকা বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

সাগরদাঁড়িতে মধুমেলা

সাগরদাঁড়িতে মধুমেলা

ছবি-সমকাল

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৪ | ২১:৫৯

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, বাংলা সাহিত্যে এক বিস্ময়কর প্রতিভার নাম মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। সনেট রচনা করে তিনি সাহিত্যে আধুনিকতার নতুন দিক উন্মেচন করেছেন। তাঁর কারণেই সাগরদাঁড়ি আজ ধন্য।

সৈয়দ আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, মধুসূদন উপলব্ধি করেছিলেন মাতৃভাষা ছাড়া প্রতিভা বিকাশ সম্ভব নয়। তাই তিনি মাতৃভাষায় সাহিত্য চর্চা শুরু করেন। সেই থেকেই শুরু হয় বাংলা সাহিত্যের জাগরণ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মধুমেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথাগুলো বলেন তিনি।  মহাকবির জন্মস্থান কেশবপুরের সাগরদাঁড়িতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ আয়োজন করে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদারের সভাপতিত্বে মধুমঞ্চে আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন যশোর-৫ মনিরামপুর আসনের সংসদ সদস্য মো. ইয়াকুব আলী, যশোর-৬ কেশবপুর আসনের সংসদ সদস্য মো. আজিজুল ইসলাম ও যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন।  অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন–  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তুহিন হোসেন, সাংবাদিক জাহিদ হাসান টুকুন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান বুলু প্রমুখ। উপস্থাপনা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার আবু নাছির ও জেলা শিশুবিষয়ক কর্মকর্তা সাধন কুমার দাস।

দুপুর আড়াইটা থেকে মধুমঞ্চে কেশবপুর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির তত্ত্বাবধানে উজ্জ্বল ব্যানার্জি ও প্রদীপ বসু পল্টুর উপস্থাপনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। রাতে যাত্রাপালা ‘মায়ের চোখে জল’ মঞ্চস্থ হয়। ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সাগরদাঁড়িতে ৯ দিনব্যাপী এ মধুমেলা অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন

×