ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) গুচ্ছ পদ্ধতির স্নাতক সম্মান ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রমের প্রথম দিনের সাক্ষাৎকারে তিন ইউনিটে মাত্র ২৪১জন অংশ নিয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউনিট সমন্বয়কারীরা। 

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়টির ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ ইউনিটে পৃথকভাবে সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিকে আসন সংখ্যার তুলনায় কম ভর্তিচ্ছু সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়াকে স্বাভাবিক বলছেন ইউনিট সমন্বয়কারীরা।

জানা যায়, এবারে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিটে ৫৫০টি, ‘বি’ ইউনিটে ১০১৫টি ও ‘সি’ ইউনিটে ৩৬০টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি নেবে বিশ্ববিদ্যালয়টি।ফলে ৪ ও ৫ জানুয়ারি বিভাগ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে বলা হয়। এ অনুযায়ী তালিকাও প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। এতে ৪ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটে ১০০০২৩৯ থেকে ১৬১১৬৪ সিরিয়াল পর্যন্ত শুধু বিভাগ প্রাপ্তদের আহ্বান করা হয়। 

অপরদিকে ‘বি’ ইউনিটে ৩০০০০৩ থেকে ৩২২৪৫০ পর্যন্ত সিরিয়াল নম্বর দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে অন্য ইউনিট থেকে পরিবর্তন করে ‘বি’ ইউনিটে আসাদের মধ্যে ‘এ’ ইউনিট থেকে ১০০০১৯ থেকে ১৫৬৫২৬ এবং ‘সি’ ইউনিটের ৫০০২১৯ থেকে ৫১০২১১ তালিকায় থাকা বিভাগ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের আসতে বলা হয়। 

এদিকে ‘সি’ ইউনিটের মেধা তালিকায় থাকা বিভাগ প্রাপ্ত সকল শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত এই সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়। 

তবে সাক্ষাৎকারে ‘এ’ ইউনিটে ১২টি বিভাগে মাত্র ৪১জন, ‘বি’ ইউনিটে ১৬টি বিভাগে মাত্র ১৩৭জন ও ‘সি’ ইউনিটে ৬টি বিভাগে মাত্র ৬৩জন ভর্তিচ্ছু সাক্ষাৎকারে অংশ নেয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ইউনিট সমন্বয়কারীরা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে আগামী ১১ জানুয়ারির মধ্যে বিভাগ প্রাপ্তদের ভর্তির নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এরপর আসন ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করবে প্রশাসন।

এবিষয়ে ‘এ’ ইউনিটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক আবদুস সামাদ বলেন, ‘আমাদের ইউনিটের বিভাগগুলোতে কমপক্ষে তিন জন করে ভর্তি হয়েছে। যারা মেধাতালিকায় থেকেও উপস্থিত হয়নি তারা উপযুক্ত কারণসহ যদি সমন্বয়কারী বরাবর আবেদন করে তবে মিটিং করে বিবেচনা করে তাদের আবার সুযোগ দিতে পারি। উপস্থিতির এই সংখ্যাটি খুব স্বাভাবিক। কারণ গুচ্ছতে যারা পরীক্ষা দিয়েছে তারা দেশের বিভিন্ন ভালো প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা দিয়েছে। সেখানেও তারা প্রথম দিকে রয়েছে। যেহেতু সময় আছে সেহেতু তারা হয়ত চিন্তাভাবনা করছে।’ 

‘সি’ ইউনিটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক রুহুল আমিন বলেন, ‘এবার সাবজেক্ট চয়েজ প্রত্যেকে আগে পেয়ে গেছে। আগে প্রতিযোগিতা থাকত। প্রথমে আসলে ভালো সাবজেক্ট পাওয়া যাবে। এজন্য হিড়িক পড়ে যেত। এবার সাবজেক্ট আগে থেকে নিশ্চিত। ১১ তারিখ পর্যন্ত সময় আছে। এর মধ্যে যারা আসবে তারা তাদের সাবজেক্ট পাবে।’