শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের নতুন ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার ৮ তলা ওই ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি টয়লেটে এ আগুন লাগে। এ সময় হাসপাতালের পাশেই থাকা ফায়ার সার্ভিস বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দ্রুত আগুন নেভাতে সক্ষম হয়।

ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২৫০ শয্যার ৮ তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় চিকিৎসকরা বসেন। ওই তলায় হাসাপাতালের বৈদ্যুতিক লাইনের কক্ষ ও ডেন্টাল ইউনিটের অপারেশন থিয়েটার (ওটি) রয়েছে।

বুধবার সকাল ১১টার দিকে লোকজন হঠাৎ ডেন্টাল ওটির পাশে ধোঁয়া দেখতে পান। এ সময় আতঙ্কে চিৎকার শুরু করে লোকজন। ওই ভবনে থাকা রোগী, তাদের স্বজন, চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা আতঙ্কে দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন। কেউ কেউ ওপরতলা থেকে নামতে শুরু করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন দ্রুত দোতলায় উঠে পানি ছিটিয়ে ১৫ মিনিটের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

শেরপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক জাবেদ হোসেন মুহাম্মদ তারেক জানান, ডেন্টাল ইউনিটের পাশে একটি টয়লেটে আগুন লাগে। সেখানে কাগজপত্র, টিস্যুসহ নানা কিছু ছিল। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা এসব পরিস্কার না করায় সেখানে স্তূপ হয়ে ছিল। সম্ভবত কেউ সিগারেট খেয়ে সেখানে ফেলে দেয়। এতেই আগুনের সূত্রপাত। যদি পাশের বৈদ্যুতিক কক্ষে আগুন লাগত, তাহলে ভয়াবহ ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।

এ ব্যাপারে শেরপুরের সিভিল সার্জন ও হাসপাতালের তত্ত্ব্বাবধায়ক ডা. একেএম আনওয়ারুর রউফ জানান, আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। কারও গাফিলতির কারণে আগুন লেগে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, এটি বড় কোনো আগুন ছিল না। দমকল বাহিনীকে খবর দেওয়া হলে তারা তাৎক্ষণিক এসে আগুন নিভিয়ে ফেলে।