নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে প্রায় ৫০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার।

তিনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জে ব্যাপক ভোটার উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। যদিও ইভিএমে ভোট হয়েছে। তাই দ্রুতই ফল প্রকাশিত হবে।’

রোববার ভোটগ্রহণ শেষে মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়েছে। নির্বাচনের আগে মহড়া ভোটের সময় নারীরা কম এসেছেন। তাই ভোটের দিন নারীদের ভোট পদ্ধতি বুঝিয়ে দিতে সময় লেগেছে। তবে যারা ভোটকেন্দ্রে এসেছেন, সবাই ভোট দিয়েছেন। কমিশনের কেউ এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ করেননি। কোনো অভিযোগও আসেনি।’

এদিন নারায়ণগঞ্জের সিটি নির্বাচন ছাড়াও টাঙ্গাইল–৭ আসনে উপনির্বাচন ও পাঁচ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ করা হয়। 

ওই সব নির্বাচন নিয়ে ইসি সচিব বলেছেন, ‘সেখানেও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়েছে। পাঁচ পৌরসভায় প্রায় ৬০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। টাঙ্গাইলে প্রায় ৩১ শতাংশ ভোট পড়েছে।’

নারায়ণগঞ্জে সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নৌকা প্রতীকের সেলিনা হায়াৎ আইভী এবং হাতি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার কেউ বড় ধরণের কোনো অনিয়মের অভিযোগ করেননি। 

আইভী ও তৈমুর আলম ছাড়া মেয়র পদে অপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এ বি এম সিরাজুল মামুন (দেয়ালঘড়ি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাছুম বিল্লাহ (হাতপাখা), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির রাশেদ ফেরদৌস (হাতঘড়ি), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. জসিম উদ্দিন (বটগাছ) ও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী কামরুল ইসলাম (ঘোড়া)। এ ছাড়া কাউন্সিলর পদে সাধারণ ওয়ার্ডে ১৪৮ ও সংরক্ষিত আসনে ৩৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।