প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বিষয়ে প্রস্তাবিত আইনের খসড়া আগামী রোববার সংসদে উঠছে। 

এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘আগামী রোববার সংসদের চলতি অধিবেশনে প্রস্তাবিত আইনটি উপস্থাপন করা হবে। চলতি অধিবেশনেই তা পাশ হবে। এই আইন অনুযায়ীই নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন হবে বলেও আশা করছি।’

এর আগে গত সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনের খসড়াটি অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। তবে বিভিন্ন মহল থেকে তাড়াহুড়ো না করে রাজনৈতিক দলসহ বিশিষ্ট জনদের মতামত নিয়ে আইন করা উচিত বলে দাবি উঠেছে। 

এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হচ্ছে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ। এই সময়ের মধ্যে আলোচনা করার সুযোগ কম। তবে করোনা পরিস্থিতির ওপরও অনেক কিছু নির্ভর করছে।’

গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে এ আইনের অনুমোদন দেওয়া হয়। 

ওই দিন বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে সিইসি ও ইসি নিয়োগ করা হবে। তিনি জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বয়স ৫০ বছর হতে হবে। সরকারি আধা-সরকারি ও বিচার বিভাগের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সচিব বলেন, সিইসি ও কমিশনার নিয়োগের জন্য একটি সার্চ কমিটি গঠন করা হবে। ছয় সদস্যের এই সার্চ কমিটির প্রধান হিসেবে থাকবেন প্রধান বিচারপতির মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি।