মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও শহর ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাহারের দাবিতে বুধবার জেলা আওয়ামী লীগের কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী মুন্সীগঞ্জ সদর থানা ঘেরাও করেন। পৌরসভার মেয়র হাজী ফয়সাল বিপ্লবের বিরুদ্ধে এ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠলেও তিনি তা অস্বীকার করেছেন।

গত মঙ্গলবার স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী হত্যা মামলার জামিনপ্রাপ্ত আসামি অহিদুজ্জামান বাবুল প্রতিপক্ষের হাতে মারধরের শিকার হন। পূর্ব বিরোধের জেরে প্যানেল মেয়র ও পৌর কাউন্সিলর, শহর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাত হোসেন সাগরের কর্মীরা এ হামলা চালায় বলে জানা গেছে। ওই ঘটনায় সাগরকে হুকুমের আসামি করে থানায় অভিযোগ দাখিল করে বাবুল। সদর থানা পুলিশ এ অভিযোগকে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করায় থানা ঘেরাওয়ের ঘটনা ঘটেছে।

থানা ঘেরাওয়ের খবর শুনে মুন্সীগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিনহাজ থানায় ছুটে যান। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সাজ্জাত হোসেন সাগরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

তবে থানা ঘেরাও করার কথা অস্বীকার করেছেন মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব। তিনি সমকালকে বলেন, নতুন বছরের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে থানায় গিয়েছিলাম। তার সঙ্গে সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান সোহেল, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ফয়সাল মৃধা, সদর উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সুরুজ মিয়া, পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সোহেল রানা রানু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল সাত্তার মুন্সী প্রমুখ ছিলেন।

পৌর মেয়রের মতো থানা ঘেরাও করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি আবু বক্কর সিদ্দিকও। তিনি বলেন, নতুন বছরের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে মেয়র থানায় এসেছিলেন। তবে আলাপচারিতার সময় সাজ্জাত হোসেন সাগরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রসঙ্গে মেয়রকে অবহিত করা হয়েছে।