বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) কিংবা একাডেমিক সনদধারী কোনো রেজিষ্টার্ড চিকিৎসক ছিলেন না তারা। কিন্ত রোগীদের কাছে তাদের পরিচয় ছিল ডিগ্রিধারী বড় ডাক্তার। চিকিৎসা প্রদানের নামে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়াই ছিল তাদের বড় কাজ। জেলার সদর উপজেলায় পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে এমনই ৫ ভুয়া চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। শনিবার দুপুরে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লাস্থ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন।

অভিযোগের বরাত দিয়ে র‌্যাব জানায়, নিজেদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে জেলা সদরের বিভিন্ন স্থানে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পেয়ে অভিযানে নামে র‌্যাবের একাধিক দল। শুক্রবার রাত পর্যন্ত জেলার আদর্শ সদর উপজেলার তেলিকোনায় অমিত মেডিকেল হল এবং কালির বাজারস্থ হৃদয় ফার্মেসী থেকে ৫ ভুয়া চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন, নগরীর দীগাম্বরী তলা গ্রামের মৃত চন্দ্রমোহন দেবনাথ এর ছেলে অজিত কুমার দেবনাথ (৬৩), সুজানগর গ্রামের মমতাজ উদ্দিন আহমদের ছেলে জসিম উদ্দিন আহমদ(৪২), চকবাজার গ্রামের মো. এরশাদ আলীর ছেলে মো. আমিনুল হাসান তারেক (২৫), কাপ্তান বাজার গ্রামের মৃত এ.কে মফিজুল হকের ছেলে এ.কে.এম মোজাম্মেল হক (৪৩) এবং পূর্ব বাগিচাগাঁও গ্রামের মৃত নিরাংশু দাসের ছেলে দেবাশীষ দাস (৪১)।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন বলেন, ভুয়া ডিগ্রিধারী চিকিৎসকরা লোকজনকের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার জন্য বিশাল নেটওয়ার্ক তৈরি করেছিল। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পর বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।