‘কক্সবাজারের জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সাংসদ শাহাজান চৌধুরী বর্তমান সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে উখিয়া-টেকনাফের বিএনপিকে ধ্বংস করতে ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন। কারণ বিএনপির প্রকৃত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে সীমান্ত এলাকায় একের পর এক ইয়াবা কারবারিদের নিয়ে কমিটি দিচ্ছেন। যা নিজের পকেট ভারী করতে এই কাজ চালাচ্ছেন শাহাজান চৌধুরী।’

বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পৌর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজিত টেকনাফ আলো শপিং কমপ্লেক্সে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সুলতান আহমদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

অভিযোগে জেলা বিএনপির নেতা সুলতান আহমদ জানান, ‘সাবেক সাংসদ শাহাজান চৌধুরীর কমিটিগুলো সাংগঠনিক কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নেই। তারা সবাই সরকারের সঙ্গে মিলে নিজেরাই সুবিধা আদায় করছে। বর্তমান সরকার বিএনপির নেতাকর্মীদের মামলা হামলা দিয়ে নির্যাতন করছে, সেখানে প্রতিবাদ তো দূরের কথা সরকারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন এই শাহাজান চৌধুরী। ফলে গত ১৬ বছরে তার বিরুদ্ধে কোনো থানায় মামলা হয়নি।’

বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি  আরও জানান, ‘টেকনাফে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে ফেরার পথে জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে হামলার কথা বলা হচ্ছে, সেটি সম্পূর্ণ মিথ্য। কারণ আগামীতে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আব্দুল্লাহকে সমর্থন করছেন।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য জাফর, সদস্য হাসান আহমদ কাউন্সিলর, টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জালাল আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নুরন্নবী, জেলা যুবদলের সদস্য ছেবর আলম প্রমুখ।

জেলা বিএনপির সভাপতি শাহাজাহান চৌধুরী জানান, ‘দলীয় কোন্দলের কারণে তারা এসব মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছে। মূলত আমি আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে যুদ্ধ করে এখন পর্যন্ত টিকে আছি। তারা টেকনাফে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে ফেরার পথে উপজেলা বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।’