প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কঠোর নির্দেশনার পর থেকে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন রক্ষায় অভিযান অব্যহত রেখেছে উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর। এরই ধারাবাহিকতায় সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকবাহী তিনটি জাহাজ ও দুটি রিসোর্টকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওরীন হক।

এসময় রান্নার ময়লা আবর্জনা সমুদ্রে ফেলার অভিযোগে তিনটি জাহাজকে ৬০ হাজার টাকা এবং সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় দুটি হোটেলের মালিককে ৬০ হাজার জরিমানা আদায় করা হয়।

এ বিষয়ে টেকনাফের ইউএনও পারভেজ চৌধুরী বলেন, প্রবাল দ্বীপ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে নিদের্শনা পাওয়ার পর থেকে দ্বীপে যৌথভাবে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এরই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজার-টেকনাফ রুটে চলাচলকারী সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকবাহী জাহজ থেকে রান্নার ময়লা আবর্জনা ও সিপসের প্যাকেট সমুদ্রে ফেলার দায়ে তিনটি জাহাজকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা দ্বীপ নিয়ে সরকারের যে ১৩টি দির্শনা রয়েছে সেগুলো বাস্তাবায়নে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সেন্টমার্টিনে দায়িত্বে থাকা পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওরীন হক বলেন, পর্যটকবাহী জাহাজ থেকে ময়লা ফেলার অভিযোগে এমভি পারিজাত, এম ভি ফারহান ও  বে ক্রুজ ইন্টারন্যাশনাল জাহাজকে ২০ হাজার টাকা করে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়া পরিবেশ আইন অমান্য করায় কিংশুক ইকো বিচ রিসোর্টের মালিক পক্ষকে ৫০ হাজার টাকা এবং প্রবাল তুলে সীমানা কাজে ব্যবহার করায় আরো একটি রিসোর্টকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ বেশ কিছু মালামাল জব্দ করা হয়েছে।