সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের মৃত্যুতে কেন্দুয়াজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। কেন্দুয়াবাসী বলছে, সাহাবুদ্দীন আহমদ ছিলেন সততার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সাবেক এই রাষ্ট্রপতিকে নক্ষত্রের সাথে তুলনা করে তারা বলছেন, কেন্দুয়ার কৃতি সন্তান হিসেবে এক উজ্জ্বল নক্ষত্রকে হারালো জাতি। 

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সাবেক প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তার মৃত্যুর সংবাদ কেন্দুয়ায় পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে।

এরই মধ্যে সাহাবুদ্দীন আহমদের মতো সৎ ও গুণী মানুষের অভাববোধ করতে শুরু করেছে কেন্দুয়ার আপামর জনগোষ্ঠী। আগামী ১০০ বছরেও তার অভাব পূরণ হবে কিনা, তা নিয়েও সন্দিহান তারা।

কেন্দুয়ার সাধারণ বাসিন্দারা বলছে, রাষ্ট্রীয় উচ্চ আসনে থেকেও সাহাবুদ্দীন আহমদ ছিলেন একেবারেই নির্লোভ, নিরহংকার এবং সাদামাটা জীবনের অধিকারী। তার মৃত্যুতে যে শুন্যতার সৃষ্টি হয়েছে সেটা পূরণ হবার নয়। আগামী ১০০ বছরেও এরকম সততার উজ্জ্বল দৃষ্টান্তকারী বিরল মানুষের জন্ম হবে কিনা তা নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

সাহাবুদ্দীন আহমদের মৃত্যুতে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মইন উদ্দিন খন্দকার বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সাবেক প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ ছিলেন, সততার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তার সততা, সাহিসকতা ও ন্যায়পরায়নতা অনুসরণযোগ্য। তার মৃত্যুতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

কেন্দুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দুয়া পৌরসভার মেয়র মো. আসাদুল হক ভূঞা বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সাবেক প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ ছিলেন, আমাদের কেন্দুয়ার গর্ব। তার মতো সততা ও ন্যায়পরায়ন ব্যক্তি আজকের সমাজে বড়ই অভাব। তার শূন্যতা পূরণ হবার নয়। তিনি পরপারে অনেক ভালো থাকুন, মহান স্রষ্টার কাছে সেই প্রার্থনাই করি।

সাহাবুদ্দীন আহমদের জন্মস্থান পাইকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, ওনার (সাহাবুদ্দীন আহমদ) পরিচয়ে এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে বিভিন্ন স্থানে সম্মানিত হয়েছি এবং হচ্ছি। সাধারণ মানুষও বিভিন্ন স্থানে এমন সম্মান পেয়েছেন। পেমই গ্রামটি পাইকুড়া ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্ত থাকায় ইউনিয়ন হিসেবে আমরা গর্ববোধ করি। এই গ্রামেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন সাহাবুদ্দীন আহমদ