কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক লিটন বিশ্বাসের (৩২) মরদেহ ১৫ দিন পর ফেরত দেওয়া হয়েছে। শনিবার বিকেল ৫টার দিকে দৌলতপুরের ওপারে ভারতের কুমড়িপাড়া সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক শেষে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে লিটনের ছোট ভাই শিপন বিশ্বাস মরদেহটি গ্রহণ করেন।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মরদেহ ফেরত দেওয়া নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার হোগলবাড়িয়া থানার কুমড়িপাড়া সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষে ছিলেন ৪৭-বিজিবি ব্যাটালিয়নের প্রাগপুর কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) নায়েক সুবেদার আমজাদ হোসেন।

এ সময় দৌলতপুর থানা পুলিশের পক্ষে তেকালা ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই জিয়াউর রহমান উপস্থিত ছিলেন। বিএসএফের পক্ষে ছিলেন ১৪১ বিএসএফ কমান্ডেন্টের হোগলবাড়িয়া থানার অন্তর্গত চরমেঘনা ক্যাম্পের ইনচার্জ এসি রাজেশ টিকে লাকড়া।

গত ৫ মার্চ রাতে দৌলতপুর সীমান্তের ওপারে ভারতের ভূ-খণ্ডে লিটন বিশ্বাসকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে বিএসএফ। এতে বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান লিটন।