রাজশাহীর দুর্গাপুরে ঝালুকা ইউনিয়নের বর্ধনপুর গ্রামে গোলাম মোস্তফা (২৫) নামে এক ব্যক্তি বাবাকে কুুপিয়ে আহত করার পর স্ত্রীকে গলাটিপে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

নিহতদের পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, বাবার সঙ্গে স্ত্রীর ‘গোপন মেলামেশার’ খবর জানার পর গোলাম মোস্তফা প্রথমে বাবাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে শ্বশুরবাড়ি গিয়ে স্ত্রীকে গলাটিপে হত্যা করেন। 

বুধবার রাতে স্ত্রীকে হত্যার পর পলাতক রয়েছেন গোলাম মোস্তফা। নিহত গৃহবধূর বাবা দুর্গাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাশমত আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সমকালকে বলেন, ‘মামলার এজাহারে নিহত নারীর বাবা অভিযোগ করেছেন, তার কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন তার শ্বশুর। পরে সাত মাসের কন্যাশিশুকে তিনি বাবার বাড়ি চলে আসেন। গোলাম মোস্তফা বাড়ি ফেরার পর তার মা তাকে শ্বশুর-পুত্রবধূর মধ্যে গোপন সম্পর্ক চলছে বলে জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গোলাম মোস্তফা এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন।’  

হাশমত আলী জানান, নিহত গৃহবধূর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।