চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে দেশের যুবসমাজকে সংগঠিত করতে ১৯০৯ সালে বদরপাতির আব্দুল জব্বার সওদাগর চট্টগ্রাম নগরীর লালদীঘি মাঠে আয়োজন করেন কুস্তি প্রতিযোগিতা, যা পরবর্তীকালে খেলা ও মেলায় পরিণত হয়। বাংলা পঞ্জিকার বৈশাখের ১২ তারিখে বলীখেলাটি আব্দুল জব্বারে বলীখেলা হিসেবে খ্যাতি লাভ করে।

রোববার দুপুরে লালদীঘির মাঠে বলীখেলা ও মেলার স্থান পরিদর্শন করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

চসিক মেয়র জানান, করোনার কারণে গত দুই বছর মেলা বন্ধ থাকার পর এবার বসবে ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলার আসর। ২৪ এপ্রিল থেকে শুরু হবে তিন দিনের বৈশাখী মেলা। ২৫ এপ্রিল বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চলবে ঐতিহ্যবাহী বলীখেলা।

তিনি আরও জানান, জব্বারের বলীখেলা হবে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চত্বরে, আর বৈশাখী মেলা হবে লালদীঘি ময়দানে। এ সময় চসিক মেয়র জেলা পরিষদ চত্বরে ২০ ফুট বাই ২০ ফুটের মঞ্চ করে বলীখেলা চলবে বলে জানান।

মেয়র আরও বলেন, মেলার আগের যে জৌলুস ছিল, এখনও সবকিছুই থাকবে। মেলা বন্ধের সিন্ধান্তে চট্টগ্রামের মানুষের মধ্যে যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল, তা আশা করি পুরোপুরি নিরসন হবে।

এ সময় মেয়র এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজনে রাজনীতিবিদ ও প্রশাসনসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন। পরে তিনি লালদীঘি পাড়ের চসিক লাইব্রেরির দ্বিতীয় তলায় মেলা কমিটির কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করেন।

মেলা কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর জহুর লাল হাজারী, ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতাউল্লা চৌধুরী, ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী ও পুলক খাস্তগীর, সংরক্ষিত কাউন্সিলর রুমকী সেনগুপ্ত, মেলা কমিটির সহসভাপতি ও প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সদস্য সচিব শওকত আনোয়ার বাদল, সাবেক কাউন্সিলর জামাল উদ্দিন, বলীখেলার রেফারি ও সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল মালেক, মো. চঞ্চল, মো. ইউছুপ, জিয়াউল হক সোহেল, কোতেয়ালি থানার ওসি জাহিদ হোসেন প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।