শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌপথের নরসিংহপুর ফেরিঘাটে পণ্যবাহী ট্রাকের তীব্র জট সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার বেলা ১০টার দিকে ঘাটে ফেরির অপেক্ষায় ৫ শতাধিক গাড়ি সড়কে অপেক্ষা করছে।

বিআইডাব্লিউটিসি সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌপথের নরসিংহপুর ফেরিঘাট। অন্যদিকে চাঁদপুর প্রান্তে সদর উপজেলার হরিণায় আরেকটি ঘাট। এ নৌপথের দুটি ঘাট ব্যবহার করে চট্টগ্রাম বিভাগের সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার পণ্য ও যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচল করে। বাংলাবাজার-শিমুলিয়া, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাই নরসিংহপুর ফেরিঘাটে চাপ বেড়ে যায়। এই নৌপথটিতে পণ্য ও যাত্রীবাহী গাড়ি পারাপারের জন্য ৭টি ফেরি চলাচল করে। গত সোমবার দুটি ফেরি বিকল হয়ে পড়ে। পরে তা মেরামতের জন্য ডগে পাঠানো হয়। মেরামত শেষ করে ওই দুটি ফেরি শুক্রবার সকাল থেকে নৌপথে চলাচল করছে।

খুলনা থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রাকচালক জালাল হোসেন বলেন, 'আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই। গতকাল ঘাটে এসেছি এখনো বসা রয়েছি। কবে যে যাইতে পারবো বলতে পারিনা। অতিরিক্ত খাওয়ার খরচ, গোসলের কষ্ট, টয়লেটের কষ্ট হচ্ছে, কী আর করব।

জানতে চাইলে ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক খোরশেদ আলম বলেন, 'একদিকে ফেরির সংকট অন্যদিকে কামিনি ফেরি আবার নষ্ট হয়ে গেছে। তাই একটু জানযট সৃষ্টি হয়েছে। দুইটি ফেরি বৃদ্ধি করলে এই সমস্যা থাকবে না। আমরা বিআইডব্লিউটিসিকে অবগত করেছি।

এ বিষয়ে শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌপথের নরসিংহপুর ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুল মোমেন বলেন, ঈদে যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে তিনটি নৌপথে পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার বন্ধ রয়েছে। তাই এ ঘাটে ট্রাকের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া ফেরি বিকল ছিল। তাই অপেক্ষারত ট্রাকগুলো পারাপার করাতে কিছুটা সময় লাগবে।