কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী ভৈরবপুর কিশোর সাহেদ হোসেন শান্তকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তারা হলেন, একই গ্রামের নাহিদুল ইসলাম (২০), মো. নাজমুল হোসেন (২৩) এবং জসিম উদ্দিন (২৭)। শুক্রবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সমকালকে জানান কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহান সরকার। 

পাওনা টাকার জন্য ঈদের দিন বিকেলে শান্তকে গাছের সঙ্গে বেঁধে কজন গ্রামবাসী ‘নির্যাতন’ করেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর পরিবারের। তাকে মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে শুক্রবার রাতে কিশোরের বাবা ইউসুফ মিয়া বুড়িচং থানায় ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ কর্মকর্তা সোহান সরকার বলেন, যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন, তারা সবাই ওই কিশোরের বাবার দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। 

ইউসুফ মিয়া জানান, ঈদের দিন তার ছেলে শান্ত বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বের হয়। এ সময় ফার্নিচার ব্যবসায়ী নাহিদুল পাওনা টাকার জন্য তার ভাই নাজমুল ও সঙ্গে থাকা আনোয়ার ও জসিম শান্তকে তার বন্ধুদের সামনে থেকে অস্ত্র ঠেকিয়ে টানাহেঁচড়া করে নাজমুলের বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে তাকে বেধড়ক মারধর করে। এ সময় স্থানীয় লোকজন মারধরের ভিডিও ও ছবি তুলে রাখে। 

খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সচিব ও গ্রাম পুলিশ সেখান থেকে শান্তকে উদ্ধার করে। 

বুড়িচং থানার ওসি মাকছুদ আলম সমকালকে বলেন, এজাহারভুক্ত আরেক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।