ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীর বড় ভাইকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শনিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

নিহতের নাম মকলেসুর রহমান। অভিযুক্তর নাম মমতাজ আলী। তিনি উপজেলার দেহানগর গ্রামের মৃত কাশিম উদ্দীনের ছেলে।

পুলিশ ও মামলার বাদী খায়রুল বাশার জানান, বেশ কয়েক বছর আগে অভিযুক্ত মমতাজ আলীর সাথে একই উপজেলার দেওধা গ্রামের সুফিয়া বেগমের বিয়ে হয়। এই দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। কয়েক বছর ধরে মমতাজ আলী তার বোনের ননদ পারুল বেগমের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি মমতাজ আলীর স্ত্রী সুফিয়া বেগম জানতে পারলে কয়েক দফা সালিশ বৈঠকও হয়। একই বিষয় নিয়ে ঈদের দিন স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হলে মমতাজ আলী তার স্ত্রী সুফিয়া বেগমকে মারধর করেন। এ খবর পেয়ে সুফিয়ার ভাই মকলেসুর রহমান,খায়রুল বাশার ও আবুল কালাম বোনের বাড়িতে যান। এসময় মমতাজ আলী স্ত্রীর ভাইদের সাথে কথা কাটাকাটি শুরু করেন। এক পর্যায়ে মমতাজ আলী ও তার বাড়ির লোকজন মকলেসুর রহমানসহ অপর দুই ভাইকে মারধর করেন। এতে মকলেসুর রহমানের মাথায় আঘাত লেগে গুরুতর আহত হলে প্রথমে তাকে প্রথমে পীরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে‘রেফার’ করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। শনিবার ভোর রাতে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মকলেসুর রহমান মারা যান।

এ ব্যাপারে সুফিয়া বেগমের ভাই খায়রুল বাশার বাদী হয়ে মমতাজ আলী ও তার দুই ভাই আব্দুর রউফ ও মাসুদ এবং বোন মসলেহা বেগম ও রুনা বেগম এবং রুনা বেগমের ননদ পারুলের বিরুদ্ধে পীরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

পীরগঞ্জ থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,এ ব্যাপারে একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।