নোয়াখালীর সদর উপজেলায় সেপটিক ট্যাংক থেকে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত যুবকের নাম ওমর ফারুক (৩২)। তিনি কক্সবাজার উপজেলার মহেশখালী উপজেলার আলী আহমেদ ও রুপাইয়া বেগমের ছেলে।

রোববার উপজেলার ৯নং কালাদরাপ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চাকলা গ্রামের খোনার মসজিদ সংলগ্ন চুটকিবাড়ির হারুনের ব্যবহৃত টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ হারুনের স্ত্রী কমলা আক্তার (৪০), তার মেয়ে শারমিন (২২) ও ছেলে আরিফকে (১৯) আটক করেছে। নিহত ব্যক্তি সম্পর্কে শারমিনের মামাশ্বশুর। আটকরা বলছেন, তাদের ফাঁসাতে কেউ ওমর ফারুককে হত্যা করে মরদেহ এখানে রেখে গেছে।

সুধারাম মডেল থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন বলেন, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট সম্পন্ন হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আকরামুল হাসান বলেন, মরদেহের পাশে একটি চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট পাওয়া গেছে। সেই সূত্র ধরে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে। প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে হারুনের জামাতা আবদুল করিমকে ধরে পুলিশ কাজ করছে। নিহত ওমর ফারুকের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে।