বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিশ্বমানে স্বীকৃতি পেতে হলে অবশ্যই গবেষণার মান বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি।

তিনি বলেন, ‘আজকের দুনিয়ার সঙ্গে তাল মেলাতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তবুদ্ধির চর্চা আরও বাড়াতে হবে। শিক্ষার মান বাড়াতে হবে।’

সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এ এফ মুজিবুর রহমান গণিত ভবনে আয়োজিত ১২ দিনব্যাপী 'ম্যাথমেটিক্যাল অ্যাপিডোমলজি/বায়োলজি' শীর্ষক এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণিত বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার দৈনিক সমকাল, এটিএন বাংলা, নিউ এজ এবং ক্যাম্পাসলাইভ টুয়েন্টিফোর ডটকম।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই কর্মশালার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের গবেষকদের মধ্যে নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এরকম কার্যক্রমের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণিত বিভাগ দেশে গণিত শিক্ষার উন্নয়ন ও বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তার দেখানো পথ ধরে তারই কন্যা আজ দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মসূচিগুলো সবসময় চলমান থাকা উচিত। বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্র নয়, নতুন জ্ঞান সৃষ্টির ক্ষেত্রও। সেই জ্ঞান সৃষ্টির জন্য যে গবেষণার প্রয়োজন, সেই গবেষণায় আমরা অনেক বেশি মনোনিবেশ করব বলে প্রত্যাশা করছি।

দিপু মনি বলেন, ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমির একটি লিঙ্কেজ তৈরি করতে হবে। আমরা যদি গ্র্যাজুয়েট তৈরি করি যার সঙ্গে কর্মজগতের কোনো মিল নেই, তাহলে আমরা খুব একটা ভালো করব না। সেজন্য কারিকুলাম প্রণয়ন থেকে শুরু করে ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে একটা যোগসূত্র  তৈরি করতে হবে৷

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন কর্মশালার আঞ্চলিক সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. চন্দ্র নাথ পোদ্দার। এসময় আরও বক্তব্য দেন ফ্রান্স দূতাবাসের চার্জ্ড অ্যাফেয়ার্সের প্রধান নির্বাহী গুইলামে অড্রেন ডে কারড্রেল, এ এফ মজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি  খুশি কবির, কর্মশালার আন্তর্জাতিক কো-অর্ডিনেটর স্পেনের অধ্যাপক ড. জর্জ মোজো ফার্নান্দেজ প্রমুখ।