ঘূর্ণিঝড় ‘আসানির’ প্রভাবে মঙ্গলবার শেষ রাতে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। তবে বুধবার সকালে সূর্য ওঠার পরে আকাশ পরিস্কার হতে শুরু করেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রৌদ্র বের হয়।

এদিকে সুন্দরবন উপকূলীয় শ্যামনগর ও আশাশুনিতে  নদীর জোয়ারের পানি এক ফুট বেড়েছে। মাঝে মাঝে মেঘলা ভাব হচ্ছে।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিক্কর আলী সমকালকে জানান, সাতক্ষীরা উপকূলীয় এলাকায় কোনো ঝড় বা জলোচ্ছ্বাসের সম্ভবনা নেই। সাতক্ষীরা উপকূল থেকে প্রায় ১১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে ‘আসানি’। এটি আরও পশ্চিম দিকে সরে গিয়ে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে আঘাত হানতে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, ‘আসানির’ প্রভাবে নদীর পানি কিছুটা বেড়েছে। সাতক্ষীরায় এতে তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেই। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে।