১৩০ টাকায় কেনা সয়াবিন তেল ১৮০ টাকায় বিক্রি করার সময় হাতেনাতে প্রমাণ পাওয়ায় চট্টগ্রামে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। 

বুধবার নগরের কর্নেলহাটের জামাল অ্যান্ড ব্রাদার্স ও বিনিময় স্টোরে অভিযান চালিয়ে কেজিতে ৫০ টাকা বেশি নেওয়ার অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের একটি টিম। 

দুই প্রতিষ্ঠানে বেশি দামে বিক্রির জন্য রাখা ৪ হাজার ১৩০টি লিটার তেলের অস্তিত্ব খুঁজে পান অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্যাহ। 

উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্যাহ সমকালকে বলেন, ‘বাড়তি লাভের আশায় অনেক আগে কেনা কর্নেলহাটের জামাল অ্যান্ড ব্রাদার্স ৪ হাজার লিটার ও বিনিময় স্টোর ১৩০ লিটার তেল বিক্রি না করে মজুদ করে রেখেছিল। বুধবার প্রতিষ্ঠান দুটিতে অভিযানে গিয়ে মজুদ রাখা এসব তেলের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছি আমরা।’

তিনি জানান, কেনা দামের চেয়ে প্রতি কেজিতে ৫০ টাকা বেশি দামে প্রতি কেজি সয়াবিন তেল বিক্রির অপরাধে জামাল অ্যান্ড ব্রাদার্সকে ৫০ হাজার ও বিনিময় স্টোরকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি জামাল অ্যান্ড ব্রাদার্সকে মজুদ করা সয়াবিন ও পাম তেল পুরোনো দামে বিক্রির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। 

অন্যদিকে বিনিময় স্টোরে মজুদ রাখা ১৩০ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তাৎক্ষণিক ক্রেতাদের কাছে ভাউচার দেখে বিক্রি করা হয়েছে। 

অভিযানে এপিবিএন এর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

এর আগে গত সোমবার চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী বাজারের একটি দোকানের তিনটি তালাবদ্ধ গুদাম থেকে ১৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করে ভোক্তা অধিদপ্তর। তাছাড়া রোববার নগরের দুই নম্বর গেটের কর্ণফুলী কমপ্লেক্সের খাজা স্টোরে অভিযান চালায় ভোক্তার অধিকার অধিদপ্তরের একটি দল। সেখানে দেখা যায়, দোকানের ভেতরে সুরঙ্গ তৈরি করে গোপনে মজুদ করে রাখা হয়েছিল এক হাজার লিটার তেল।