অতিরিক্ত দামে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রির দায়ে বরিশাল নগরীর অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র পেঁয়াজ পট্টি, বাজার রোড ও হাটখোলায় অভিযান চালিয়ে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

বুধবার দুপুরে এই অভিযান চলাকালে একটি দোকান থেকে ৩ ড্রাম (৬১৫ লিটার) খোলা সয়াবিন তেল জব্দ করে তা পূর্বের দাম ১৩৬ টাকা দরে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ পরিচালক মো. সেলিম, সহকারী পরিচালক সাফিয়া সুলতানা এবং বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শাহ শোয়াইব মিয়ার নেতৃত্বে বুধবার দুপুরে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

অতিরিক্ত মূল্যে সয়াবিন তেল বিক্রির দায়ে বাজার রোডের মেসার্স পুলিন বিহারী ঘোষ স্টোর মালিককে ৪০ হাজার, হাটখোলার মেসার্স মোল্লা এন্টারপ্রাইজকে ২০ হাজার এবং পেঁয়াজ পট্টির মেসার্স রায় অ্যান্ড ব্রাদার্সকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সময়ে ওই তিন প্রতিষ্ঠান থেকে তিন ড্রাম তেল জব্দ করে লিটারপ্রতি ১৩৬ টাকা দরে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।

নগরীর বিভিন্ন এলাকার সাধারণ ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন, বরিশালের প্রধান প্রধান বাজারগুলোতে সহজে খোলা এবং বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যায় না। ব্যবসায়ীরা আগের কেনা সয়াবিন তেল বর্ধিত মূল্যে ছাড়া বিক্রি করতে চান না।

হাটখোলার বাসিন্দা সঞ্জয় দত্ত বলেন, সরকার তেলের দাম বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করলেও বাজারে এখনো নতুন দাম কার্যকর করা হয়নি। এর আগেই বরিশালের ব্যবসায়ীরা বর্ধিত দাম ছাড়া সয়াবিন তেল বিক্রি করছেন না। বরিশালের বিভিন্ন বাজারে ১৯৮ টাকা থেকে ২২০ টাকা লিটার দরে বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে।

সহকারী পরিচালক শাহ শোয়াইব মিয়া বলেন, এখন থেকে প্রতিদিনই সয়াবিন তেল নিয়ে অসাধু বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করবে। মঙ্গলবারও একাধিক বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। যে ব্যবসায়ী সয়াবিন তেল নিয়ে অনিয়ম করছেন তাদের জরিমানা করা হচ্ছে।