চিকিৎসার কথা বলে ভারতে নিয়ে বিক্রির চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে সালমা খাতুন নামে এক নারীকে হত্যা করেছে তার স্বামী কামরুল ইসলাম। এ ঘটনায় অভিযুক্ত কামরুল ইসলামকে ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

গত বুধবার যশোরের কোতোয়ালি থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা করেন সালমার বাবা শহিদুল ইসলাম। রাতেই অভিযুক্ত স্বামী কামরুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে আসে প্রকৃত রহস্য। কামরুল সদর উপজেলার বানিয়ারগাতী গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে।

নিহতের বাবা শহিদুল জানান, সন্তান না হওয়ায় ডাক্তার দেখানোর কথা বলে ১৫ এপ্রিল সালমাকে ভারতে নিয়ে যায় কামরুল। গত রোববার কামরুল ভারত থেকে ফিরে এসে তাদের জানায় সালমাকে হারিয়ে ফেলেছে। এ সময় তার আচরণে সন্দেহ হলে পুলিশে অভিযোগ দেওয়া হয়।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি রুপন কুমার সরকার জানান, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে কামরুল জানায় যে, সে সালমাকে গুজরাটের ভালেজ থানা এলাকায় আটক রেখে বিক্রির চেষ্টায় ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে সেখানে তাকে হত্যার করে লাশ ফেলে রেখে দেশে পালিয়ে আসে সে।