পঞ্চগড়ে দুই বিয়ে করে ভাইরাল হওয়া যুবকের এক বউ ডিভোর্স দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার ছোট বউ মমতা রানী নিজেই রোহিনী চন্দ্র বর্মনকে (২৫) ডিভোর্স দেয়। শনিবার বিকেলে রোহীনির বাবা যামিনী কান্ত ডিভোর্সের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান। মমতা রানীর পরিবারের ইচ্ছেতেই এই ডিভোর্স সম্পন্ন হয় বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত ২০ এপ্রিল দুই প্রেমিকাকে পাশাপাশি বসিয়ে বিয়ে করে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিলেন পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর এলাকার রোহিনী চন্দ্র বর্মন। কিন্তু দুইজনকে একসঙ্গে নিয়ে সংসার করতে ব্যর্থ হলেন তিনি। বিয়ের মাত্র ২২ দিনের মাথায় এক স্ত্রী মমতা রানীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটল তারা। জানা যায়, মমতা বাবার বাড়িতে গিয়ে আর ফিরে না এসে রোহিনীকে ডিভোর্স লেটার দেন। তবে কী কারণে এত দ্রুত এই বিবাহ বিচ্ছেদ তা জানা যায়নি। এ নিয়ে রোহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি এবং মমতা রানীও সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

তবে মমতা রানীর ভাই পলাশ রায় সমকালকে বলেন, ‘আমাদের পরিবারের কোনো অভিযোগ নেই। তবে আর বাড়াবাড়ি করতে চাই না। বোনের ভবিষ্যতের বিষয়ে চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

রোহিনীর বাবা যামিনী চন্দ্র বলেন, ‘মমতা রানী স্বেচ্ছায় আমার ছেলেকে তালাক দিয়েছে। এতে আমরা অমত করিনি।’

বলরামপুর ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘বিচ্ছেদের বিষয়ে এখনও কোনো তথ্য জানি না। দুই পক্ষের কেউ কিছু জানায়নি। তবে লোকমুখে শুনছি, মেয়েটা নিজেই নাকি ছেলেটাকে তালাক দিয়েছে।’