মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি। শনিবার রাতে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এছাড়া নতুন কমিটির জন্য সংশ্লিষ্টদের জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করা হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে।

একইসঙ্গে জেলা ছাত্রলীগ ঘোষিত সদর উপজেলা, নোয়াখালী পৌরসভা ও নোয়াখালী সরকারি কলেজ  ও সোনাপুর ডিগ্রি কলেজ, সেনবাগ উপজেলা, সেনবাগ পৌরসভা ও সেনবাগ কলেজ ছাত্রলীগের কমিটিও বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নোয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশীদের আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত জেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দের কাছে জমা দিতে হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারা সশরীরে নোয়াখালী গিয়ে জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ করবেন।


এর আগে গত ১ মে সেনবাগ উপজেলা, পৌর শাখা, কলেজ শাখা ও ১১ মে নোয়াখালী সদর উপজেলা, নোয়াখালী পৌর শাখা, সরকারি কলেজ শাখা ও সোনাপুর ডিগ্রি কলেজ শাখা কমিটি ঘোষণা করেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, গত ১ মে ও ১১ মে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে পকেট কমিটি ঘোষণা করেন। এ নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে জুতা মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন পদবঞ্চিত একাংশের নেতাকর্মীরা।

বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি আসাদুজ্জামান আরমান ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত আদনান নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে পরিচিত। এ বিষয়ে জানতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান আরমান ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত আদনানকে ফোন করা হলে নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন বলেন, শিগগিরই ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র মেনে জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।