আগের দামে কেনা ৬ হাজার ১২০ লিটার সয়াবিন ও পাম তেল গোপনে মজুত করে নতুন দামে বিক্রির প্রমাণ পেয়েছে ভোক্তা অধিদপ্তর সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও র‌্যাবের যৌথ টিম। রোববার চট্টগ্রাম নগরের সল্টগোলা ক্রসিং-সংলগ্ন ঈশান মিস্ত্রিঘাট এলাকার মেসার্স আসআদ বাণিজ্যালয়ে অভিযান চালিয়ে এমন প্রমাণ পান তারা। তেল মজুতের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্যাহ সমকালকে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সল্টগোলা ক্রসিং-সংলগ্ন ঈশান মিস্ত্রিঘাট এলাকার মেসার্স আসআদ বাণিজ্যালয়ে অভিযান চালিয়ে আগের দামে কেনা ৬ হাজার ১২০ লিটার তেল জব্দ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি তেলগুলো আগের দামে কিনলেও বাড়তি দামেই বিক্রি করে বাড়তি মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছিল। এমন অবৈধ কারসাজির কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দকৃত তেলগুলো আগের দামে বিক্রি করা হবে এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে লিখিত অঙ্গীকার নেওয়া হয়েছে।’

অভিযানে অংশ নেওয়া র‌্যাব-৭ এর পুলিশ সুপার তাহিয়াদ আহমেদ চৌধুরী জানান, বাড়তি টাকা আদায় করতে মেসার্স আসআদ বাণিজ্যালয় দোকানের ভেতরে, গুদামে ও সড়কের পাশেই গোপনে তেল মজুত করে রেখেছিল। প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী ইলিয়াছ হোসেন গত মার্চে খোলা সয়াবিন ১৩৬ টাকা ও খোলা পাম তেল কিনেন প্রতি লিটার ১৩০ টাকা দরে। কিন্তু কম দামে কেনা এসব তেল তিনি বিক্রি না করে এতদিন মজুত করে রেখেছিলেন। অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. দিদার হোসেন।